গরুর কালাভুনা রেসিপি

গরুর কালাভুনা রেসিপি | ঘরোয়া স্বাদে মজাদার কালাভুনা

গরুর কালাভুনা রেসিপি

গরুর কালাভুনা রেসিপি আমার কাছে এমন একটা রান্না, যেটার আসল মজা হলো মাংসটা ধীরে ধীরে মসলা কষিয়ে রান্না করা। রান্নার সময় যখন পেঁয়াজ আর মসলার গন্ধ পুরো রান্নাঘরে ছড়িয়ে পড়ে, তখনই বোঝা যায় আজকের রান্নাটা জমবে! 😋

উপকরণ

গরুর মাংস – ১ কেজি
পেঁয়াজ কুচি – ৪টি বড়
আদা বাটা – ১½ টেবিল চামচ
রসুন বাটা – ১½ টেবিল চামচ
মরিচ গুঁড়া – ১½ চা চামচ
হলুদ গুঁড়া – ½ চা চামচ
ধনে গুঁড়া – ১½ চা চামচ
জিরা গুঁড়া – ১ চা চামচ
গোলমরিচ গুঁড়া – ½ চা চামচ
গরম মসলা গুঁড়া – ১ চা চামচ
দারুচিনি – ২ টুকরা
এলাচ – ৪টি
লবঙ্গ – ৪টি
তেজপাতা – ২টি
কাঁচা মরিচ – ৬–৮টি
সরিষার তেল – ½ কাপ
লবণ – স্বাদমতো
চিনি – ½ চা চামচ
গরম পানি – প্রয়োজনমতো

গরুর কালাভুনা রেসিপি যেভাবে রান্না করবেন

প্রথমে মাংস ভালো করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। এরপর মাংসের সঙ্গে আদা বাটা, রসুন বাটা, হলুদ, মরিচ, ধনে, জিরা, গোলমরিচ ও লবণ মাখিয়ে প্রায় ১৫ মিনিট রেখে দিন।
এবার হাঁড়িতে সরিষার তেল দিয়ে মাঝারি আঁচে গরম করুন। তেলে দারুচিনি, এলাচ, লবঙ্গ ও তেজপাতা দিয়ে একটু নেড়ে পেঁয়াজ কুচি দিয়ে দিন। পেঁয়াজটা সুন্দর বাদামি হওয়া পর্যন্ত ৮–১০ মিনিট ভাজুন।
পেঁয়াজ ভাজা হয়ে গেলে মাখানো মাংস দিয়ে দিন। এবার মাঝারি আঁচে মাংসটা ভালোভাবে কষাতে হবে। মাংস থেকে পানি বের হলে সেই পানিতেই মসলা কষতে থাকুন। প্রায় ২০–২৫ মিনিট ধীরে ধীরে কষালে মসলার স্বাদ অনেক ভালো আসে।https://platterbyond.com/সাদা আটার রুটি রেসিপি/
মাংস শক্ত থাকলে অল্প অল্প করে গরম পানি দিন। বেশি পানি একসঙ্গে দেবেন না। হাঁড়ি ঢেকে কম আঁচে ৫০–৭০ মিনিট রান্না করুন। মাঝে এক-দুবার নেড়ে দেখবেন, যাতে নিচে লেগে না যায়।
মাংস নরম হয়ে গেলে এবার আসবে কালাভুনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। হাঁড়ির ঢাকনা খুলে মাঝারি আঁচে রান্না করুন এবং বারবার নেড়ে মাংসের বাড়তি পানি শুকিয়ে ফেলুন। মসলা যখন মাংসের গায়ে ভালোভাবে লেগে যাবে এবং তেল আলাদা হয়ে আসবে, তখনই কালাভুনার সেই গাঢ় রং ও ঘন স্বাদটা তৈরি হবে।
সবশেষে গরম মসলা, চিনি ও কাঁচা মরিচ দিয়ে আরও ৫ মিনিট কষিয়ে চুলা বন্ধ করে দিন।
গরম ভাত, পোলাও কিংবা পরোটার সঙ্গে পরিবেশন করুন। একবার রান্না করলে দেখবেন, এই কালাভুনার ঘ্রাণেই সবাই রান্নাঘরের দিকে চলে আসবে! ❤️

ছোট্ট টিপস

কালাভুনা ভালো করতে তাড়াহুড়ো না করাই সবচেয়ে জরুরি। বিশেষ করে শেষের দিকে মাংসটা ধীরে ধীরে কষালে মসলা মাংসের সঙ্গে ভালোভাবে মিশে যায় এবং সুন্দর গাঢ় রং আসে।